আপনার পাসপোর্টই আপনার সেলস পেজ
প্রতিটি স্টাইলের জন্য একটি ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাসপোর্ট বানান, লেবেলে QR কোড প্রিন্ট করুন — যে বায়ার স্ক্যান করবেন, তিনি সরাসরি আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন।
সংক্ষেপে: DPPLive বাংলাদেশের গার্মেন্টস কারখানার জন্য বানানো ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাসপোর্ট (DPP) সফটওয়্যার। একটি স্টাইল দিয়ে ৪ সপ্তাহের ফ্রি পাইলট, এরপর প্রতি কারখানায় মাসে ১০টি পাসপোর্ট পর্যন্ত ফ্রি; মাসে ১০টির বেশি লাগলে আলোচনা করে কাস্টম দাম।
একটি পাসপোর্ট, চারটি কাজ
প্রতি স্টাইলে একটি পাসপোর্ট ও QR কোড
পণ্যের তথ্য একবার দিন, QR কোড তৈরি করুন (চাইলে GS1 Digital Link), লেবেলে প্রিন্ট করুন। যে-কেউ স্ক্যান করলে পাসপোর্ট পেজ দেখবেন — পেজের মেনু ও শিরোনাম ইংরেজি, বাংলা, জার্মান, ফরাসিসহ ৯টি ভাষায়।
বায়ারের ইনকোয়ারি সরাসরি আপনার কাছে
যে বায়ার, এজেন্ট বা রিটেইলার পাসপোর্ট স্ক্যান করবেন, তিনি সরাসরি কারখানার সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন। মেসেজ আসবে আপনার DPPLive ইনবক্সে।
EU রেজিস্ট্রির ফাইল তৈরি
রেজিস্ট্রিতে জমার জন্য যে আইডেন্টিফায়ারগুলো লাগে, সেগুলো প্রথম পাসপোর্ট থেকেই ঠিকঠাক রাখা হয় — টেক্সটাইলের নিয়ম চালু হলে জমা দিতে ঝামেলা কম।
বাংলায় সাহায্য
২০ প্রশ্নের রেডিনেস অ্যাসেসমেন্ট দেখাবে কোন তথ্য আপনার আছে আর কোনটা নেই। প্রশ্ন থাকলে ইংরেজি বা বাংলায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর পাবেন।
তিন ধাপে
পাইলট — ফ্রি
একটি স্টাইল বেছে নিন। ৪ সপ্তাহ ধরে আমরা আপনার সাথে সব ফিল্ড পূরণ করব; শেষে পাবেন একটি লাইভ পাসপোর্ট, যা বায়ারের সামনে স্ক্যান করে দেখাতে পারবেন। কার্ড লাগবে না, চুক্তি নেই।
ফ্রি প্ল্যান — মাসে ১০টি পর্যন্ত
চালু স্টাইলগুলোর পাসপোর্ট প্রকাশ করুন: বায়ার পোর্টাল, রেজিস্ট্রি ফাইল, ইনকোয়ারি, ৯ ভাষার পাসপোর্ট পেজ। বিস্তারিত: দাম।
কাস্টম — যখন টিম বা ভলিউম বাড়বে
মাসে ১০টির বেশি পাসপোর্ট, মার্চেন্ডাইজিং ও কমপ্লায়েন্সের আলাদা রোল, বায়ার অ্যাক্সেস ম্যানেজমেন্ট, কার্বন ক্যালকুলেটর।
EU আসলে কী চায়, আর কবে
ইউরোপের ESPR আইন (Regulation (EU) 2024/1781) ২০২৪ সালের জুলাইয়ে কার্যকর হয়েছে। কেন্দ্রীয় DPP রেজিস্ট্রির নিয়ম (Regulation (EU) 2026/1778) ৬ আগস্ট ২০২৬ থেকে প্রযোজ্য। টেক্সটাইলের জন্য পাসপোর্ট বাধ্যতামূলক করবে যে ডেলিগেটেড অ্যাক্ট, সেটি ২০২৭ সালে আসার কথা; বাধ্যবাধকতা শুরু হতে পারে ২০২৮–২৯ সালে।
আইনি দায় সেই ব্র্যান্ড বা ইমপোর্টারের, যে পোশাকটি EU বাজারে আনে — কিন্তু তথ্যের বেশিরভাগ থাকে কারখানার কাছে। এই ফাঁকটাই সুযোগ: যে কারখানা আগেভাগে বায়ারের হাতে তৈরি পাসপোর্ট দিতে পারে, তথ্যের জন্য তার পেছনে বায়ারকে ছুটতে হয় না।
আরও পড়ুন: DPP কী? বাংলা গাইড · সময়সীমা ও জরিমানা · বায়ার DPP চাইলে কী করবেন
কারখানার মালিক ও মার্চেন্ডাইজাররা যা জানতে চান
DPPLive কি সত্যিই ফ্রি?
হ্যাঁ। প্রতি কারখানায় মাসে ১০টি ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাসপোর্ট পর্যন্ত ফ্রি, কার্ড লাগে না। শুরুতে একটি স্টাইল দিয়ে ৪ সপ্তাহের ফ্রি পাইলট। মাসে ১০টির বেশি লাগলে আলোচনা করে কাস্টম দাম ঠিক হয়।
পাসপোর্টের আইনি দায় কার — কারখানার না ব্র্যান্ডের?
আইনি দায় সেই ইকোনমিক অপারেটরের, যে পোশাকটি EU বাজারে আনে — সাধারণত ব্র্যান্ড বা ইমপোর্টার। কিন্তু ফাইবার, কেমিক্যাল, কোথায় তৈরি — এসব তথ্যের বেশিরভাগ থাকে কারখানার কাছে, তাই বায়াররা তথ্যটা কারখানার কাছেই চাইবেন।
কম্পিউটার বা আলাদা IT টিম লাগবে?
না। DPPLive ব্রাউজারে চলে, ফোনেও চলে। সাধারণত মার্চেন্ডাইজার বা কমপ্লায়েন্স অফিসারই তথ্য দেন।
কোন কোন তথ্য লাগবে?
স্টাইলের টেক প্যাক বা BOM, ফাইবার কম্পোজিশন, সাম্প্রতিক ল্যাব টেস্ট রিপোর্ট, আর আপনার সার্টিফিকেট (যেমন OEKO-TEX, GOTS, GRS)। পুরো তালিকা: কোন কোন তথ্য লাগবে।